Uncategorized

অবরুদ্ধ এনটিআরসিএ, চলছে ১-১২ তম শিক্ষক নিবন্ধিত নিয়োগ বঞ্চিত শিক্ষেকদের আন্দোলন

  Admin1234@ ২৩ নভেম্বর ২০২৫ , ৯:৪৭:০৫ 56

মো ইয়াকুব আলী তালুকদার

স্টাফ রিপোর্টার

দীর্ঘদিন আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পরও ০১-১২ তম শিক্ষক নিবন্ধিত নিয়োগ বঞ্চিত বৈধ সনদধারী শিক্ষকদের চাকরি না হওয়ায় গত ১৮ নভেম্বর থেকে পুনরায় শান্তি পূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে নিবন্ধিত নিয়োগ বঞ্চিত শিক্ষক ফেডারেশন।আজ ২৩ নভেম্বর (রবিবার) ০১-১২ তম নিবন্ধিত সনদ প্রাপ্ত নিয়োগ বঞ্চিত শিক্ষকেরা অবরুদ্ধ করে রেখেছে এনটিআরসিএ অফিস। সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। নিয়োগ দিতে হবে। সনদ যার চাকরি তার। বিভিন্ন স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠেছে। এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) নিয়ে দুর্নীতির পাহাড় সমান অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে এনটিআরসিএ-এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি করার অভিযোগ অনেক।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এনটিআরসিএ-এর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, রয়েছে বিশাল সিন্ডিকেট। স্বজনপ্রীতি, এনটিআরসিএ-এর কর্মকর্তারা স্বজনপ্রীতি করে নিজেদের আত্মীয়-স্বজনদের নিয়োগ দিয়েছেন বলে হাজারো অভিযোগ রয়েছে। অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ, এনটিআরসিএ-এর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ বাণিজ্যে সর্বসেরা। সার্টিফিকেট বাণিজ্য করে হাজার হাজার সাটিফিকেট প্রদান করে নিয়োগ দিয়েছে তারা।

৬০ হাজার জাল সনদধারীকে চাকরিচ্যুত করার দাবিতে আন্দোলন করছেন এনটিআরসিএ নিবন্ধিত নিয়োগ বঞ্চিত শিক্ষকরা। তারা দাবি করছেন যে, এই জাল সনদধারীরা তাদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে জাল সনদ তৈরি করেছে। তাদের নিয়োগ কার্যকর হলে এই জাল সনদধারীদের এমপিও বাতিল হবে এবং তারা আইনের আওতায় আসবে । ৬০/ ৭০ হাজার টাকায় জাল সনদ বিক্রি করছে এনটিআরসিএ। গণবিজ্ঞপ্তিতে টাকা খেয়ে সিরিয়াল আগে দিয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন কায়দায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তী দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কিন্তু বৈধ সনদধারীদের বিভিন্ন অজুহাতে চাকরি থেকে বঞ্চিত রেখে নিয়োগ বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তাই তারা এই প্রতিষ্ঠানের সকল দূর্ণীতি রুখে দিয়ে আলাদা বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তীর মাধ্যমে নিয়োগ নিশ্চিত করতে চায়। নিয়োগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলমান থাকবে বলে জানান।

আরও খবর:

Sponsered content